
“””জীবনের গল্প 🌿
আমার জীবনের গল্পটি পড়ার অনুরোধ রইলো।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
আশা করছি পরম করুণাময় আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে সবাই ভালো ও সুস্থ আছেন । আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
আজকে আমি আপনাদের সামনে আমার জীবনের গল্প শেয়ার করতে এসেছি। আশা করি ধৈর্য সহকারে পড়বেন।
সর্বপ্রথম অন্তরের গভীর থেকে সকল প্রশংসা মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের প্রতি যিনি আমাকে সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে তৈরি করেছেন এবং একজন মুসলিম পরিবারে পাঠিয়েছেন । হেদায়েতের পথে চলার তৌফিক দিয়েছেন এবং শেষ নবী হযরত মোহাম্মদ (সা:) সালামের উম্মত হিসেবে কবুল করেছেন
আলহামদুলিল্লাহ ।
🌿 অনেক বেশি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি লাখ লাখ তরুণ তরুণীর আইডল মানবতার ফেরিওয়ালা “নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন” এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সম্মানিত জনাব Iqbal Bahar Zahid স্যারের প্রতি।
প্রিয় স্যারের সৃজনশীল ও চিন্তা ভাবনার আলোতে আমরা প্রতিনিয়ত আলোকিত হচ্ছি এবং নিজেদের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারছি আলহামদুলিল্লাহ।
**পরিচয় পরিবার **
আমি শারমিন সুলতানা মিতা ।
পিতা: মোহাম্মদ সামাদ মল্লিক ।
মাতা : বেগম রোকেয়া ।
জেলা: নারায়ণগঞ্জ ।
থানা: ফতুল্লা ।
গ্রাম : কাশিপুর ।
আমার বাবা একজন আদর্শবান ও নিষ্ঠাবান ব্যক্তি । আমরা দুই ভাই দুই বোন । তিনি একজন ব্যবসায়ী ছিলেন । বর্তমানে কিছুই করেন না । আমার মা খুব সহজ সরল ভালো মনের একজন মানুষ ছিলেন। মা আজ আমাদের মাঝে নেই।আল্লাহর মেহমান হয়ে গেছেন । ২০২২সালের ১৫ই মার্চ রোজ মঙ্গলবার ভোরে। আল্লাহ আমার মাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ আসন দান করুন আমিন।
আমার শৈশব*
আমার শৈশব কাল কেটেছে খুবই সুন্দর । সারাদিন খেলাধুলো মাটির হাঁড়ি পাতিল দিয়ে রান্নাবান্না সেই দিনগুলো আজও স্বপ্নের মত লাগে। ৯০দশকের শেষের দিকে আমরা যা যা উপভোগ করেছি বিভিন্ন ধরনের শৈশব মাতানো আনন্দময় খেলা যেমন: শুক্রবার আসলেই আমাদের ছিল বনভোজন আয়োজন । ভাই বোনেরা মিলে ঘর থেকে চাল, ডাল, তেল, তুলে রান্নার আয়োজন করতাম । শৈশবের সেই মধুর স্মৃতিগুলো আমায় যেন বারবার ডাকে । বর্ষাকালে বিল থেকে শাপলা শালুক এগুলো সংগ্রহ করার মজাই আলাদা ।বন্ধুদের সঙ্গে একবার বিলে শাপলা শালূক তুলতে গিয়েছিলাম মা-বাবাকে না জানিয়ে লুকিয়ে লুকিয়ে । অন্য রকম মজাই ছিল সেইসব দিনগুলি সত্যিই অনেক মিস্ করি। বাবা-মার আদরের কোন কমতি ছিল না কখনো। বাবা ছিল ব্যবসায়ী সকল কিছুই চাওয়ার আগেই পেয়ে যেতাম আলহামদুলিল্লাহ । খুবই সুখী পরিবার ছিলো আমাদের। দেওভোগ হাজী উজির আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩য় শ্রেণী পর্যন্ত পড়ে চলে যাই ঢাকা স্বপরিবারে । বাবার বিজনেস ছিলেন পুরান ঢাকার ধোলাইপাড়। পুরাতন গাড়ি ক্রয় বিক্রয় করতেন । বিজনেসের সুবিধার্থে এবং আমারা যাতে ভালো স্কুলে ভালো পরিবেশে থেকে লেখাপড়া করতে পারি সবদিক বিবেচনা করে ঢাকায় নিয়ে আসেন ।
ছাত্রী জীবন
ঢাকায় এসে ৪র্থ শ্রেণীতে আমাকে ভর্তি করান। আমার স্কুল ছিল ” মিতালী বিদ্যাপীঠ ” স্বামীবাগ। এই স্কুল থেকে আমি এস এস সি পাশ করি । ফাস্ট ডিভিশন পাই মানবিক বিভাগ থেকে । আমার আব্বা বলেছিল সাইন্স নিয়ে পড়তে কিন্ত আমার হোম টিচার বলেছিল আমি সাইন্স নিয়ে পড়তে পারবো না কারণ আমি ছাত্রী ছিলাম মোটামুটি । সাইন্স খুব কঠিন আমি পারবো না ।
এরপর ভর্তি করালো “গেন্ডারিয়া ফজলুল হক মহিলা কলেজে ” এই কলেজ থেকে এইচ এস সি পাশ করি ।
২য় ডিভিশন পাই । আমার ইচ্ছা ছিল “ল” পড়ার কিন্ত তা আর হলো না। আব্বা বললেন আমারা বাড়ী চলে যাবো তুমি নারায়ণগঞ্জ তোলারাম কলেজে ভর্তি হবে । কিন্ত আমার ইচ্ছা ছিল ‘ল’ তে ভর্তি হব নয়তো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি হব । আমার কোন কথা শুনেনি নারায়ণগঞ্জ চলে আসলাম। আমিও রাগ করে ভর্তি হলাম না। এখন তারা ভাবছে লেখাপড়া না করলে বিয়ে দিয়ে দিবে । আমার বড় চাচার ছেলে প্রবাসে থাকে তারা চায় আমার সাথে বিয়ে দিবে কিন্ত আমার পছন্দের একজন ছিল। ইন্টার ফাস্ট ইয়ারে পড়ার সময় তার সাথে আমার সম্পর্ক হয় । তার কথাও বলতে পারছিনা । পুরাই বিপদে আছি আমি তার সাথে সব শেয়ার করলাম। কিন্ত সে তো ছাত্র কোনকিছু করে না । তার বাবার ঢাকা বাড়ি আছে দুইটা একটা যাত্রাবাড়ী আর একটা জুরাইন । আরো অনেক জমি জমা আছে কিন্ত তার কি আছে । মেয়ে বিয়ে দিলে সবাই দেখে ছেলের কি আছে । সে কি করে চাকরী অথবা বিজনেস । তাই সে পড়াশোনার পাশাপাশি একটা চাকরি নিল । আর আমি এক বছর লস দিয়ে আবার ভর্তি হলাম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স
সমাজ বিজ্ঞান সাবজেক্টে । ৩য় বর্ষে পড়ার সময় আমাদের দুই পরিবারের সম্মতিতে পারিবারিক ভাবে আমাদের বিয়ে হয় । আলহামদুলিল্লাহ এখন উনি আমার স্বামী । তারপর আমি অনার্স কমপ্লিট করি । সে ও মাস্টার্স কমপ্লিট করে । আমার আর মাস্টার্স করা হয়নি ।
**বিবাহিত জীবন **
আমার জীবনে এমন একজন চমৎকার মনের মানুষ আল্লাহ আমাকে দিয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ শুকরিয়া মহান রবের দরবারে । তাঁর মতো একজন মানুষ পেয়ে আমি ধন্য । বিয়ের এক বছর পর আল্লাহ আমাদের জমজ ছেলে সন্তান দান করেন আলহামদুলিল্লাহ । আমার স্বামী চাকরি করতেন বাড়ির পাশেই ধোলাইপাড় একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে । ছেলেদের বয়স যখন দুই বছর তাঁর কোম্পানির আফিস নিয়ে গেলেন সাভার ।বাধ্য হয়ে তাকে সাভার গিয়ে অফিস করতে হতো । ভোর ৫ : ৩০ মিনিটে বের হতো ফিরতো রাত ১১ টা ১২ টা বাজে । ছেলেরা ঘুমিয়ে থাকত বাবাও ছেলেদের আদর করতে পারছেনা । অফিসে বসে প্রতিদিন ৭\ ৮ বার ফোনে কথা বলতো ছেলেদের সাথে । ছেলেরা যখন মন চাইতো কল করে কথা বলতো । বেডের পাশেই সাইড টেবিলের ওপর
ল্যান্ড ফোন ছিল । ডায়ালে ওদের বাবার নাম্বার আছে
যখন ইচ্ছা কল দিয়ে কথা বলত। তারা তো বোঝা না তার বাবা অফিসে কত ব্যস্ত থাকেন । সেও ছেলেদের সাথে কথা বলতো । এভাবে চলতে থাকে অনেক দিন।
একদিন আমার স্বামী বললো ছেলেদের সাথে একটু সময়ও কাটাতে পারি না আদরও করতে পারি না খুবই দুঃখ প্রকাশ করলো । সেই রাতেই সিদ্ধান্ত নিল সাভার বাসা ভাড়া করে আমাদের তাঁর কাছে নিয়ে যাবে । সেই রাতেই আমার শ্বশুর আব্বাকে বললো আব্বা আমার প্রতিদিন জার্নি করে অফিস করতে কষ্ট হয় । তাছাড়া আপনার নাতিদের সাথে দেখা হয় না কথা হয় না । আমি বাসা ভাড়া করে ওদের নিয়ে যেতে চাই। এই কথা শুনে আব্বার মুখটা মলিন হয়ে গেল । একটু চুপ করে থেকে গম্ভীর গলায় বললো যেভাবে তোমাদের সুবিধা সেই ভাবেই করো আমার কোন আপত্তি নেই । আব্বা একটু মন খারাপ করেছেন সেটা দুইজনই বুঝতে পেরেছি । নাতিরা তাঁর থেকে দূরে চলে যাবে সেটা সে আশা করেনি। আমরা চলে গেলাম সাভার। এই তো শুরু হলো যাযাবর জীবন । যখন আমার স্বামী যেখানে চাকরি করেন আমরাও তার সাথে সেখানে চলে যাই । ছেলেদের বয়স যখন চার বছর পূর্ণ হল তখন আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম ছেলেদের স্কুলে ভর্তি করাবো । আমার স্বামী বলল এখন আর বাড়ির বাহিরে থাকা যাবে না । নিজের বাড়িতে থেকে নিজের এলাকায় থেকে ছেলেরা স্কুলে লেখাপড়া করবে । তোমরা বাড়িতে থাকবে আমি এখানে একটা ছোট্ট রুম নিয়ে থাকবো বৃহস্পতিবার অফিস শেষ করে বাড়ি যাবো শনিবারে সকালবেলা এসে আবার অফিস করব । কিন্তু আমি রাজি হলাম না সে আমাদের থেকে এত দূরে থাকবে এটা আমার ভালো লাগলো না । আমি বললাম না আমরা তোমার কাছেই থাকব তোমার সাথে আর এখানেই ছেলেদের একটা স্কুলে স্কুলে ভর্তি করে দিব । সে আমার কথায় রাজি হলো। সাভারের চাকরি ছেড়ে সে আবার টঙ্গী কলেজ গেট চাকরি নিল । কলেজ গেট একটা কিন্ডারগার্ডেন স্কুলের ছেলেদের ভর্তি করায় । সেই স্কুলেই আমি একটা শিক্ষকতার চাকরি নিয়ে নেই ।
২০১৮ সালে বার্ধক্য জনিত কারণে আমার শশুর আব্বা মারা যান । আল্লাহ তাঁকে আপনি জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন আমিন । আমার স্বামী মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে । ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করত না হুট করে চাকরিটাও ছেড়ে দিল স্বইচ্ছায় । ব্যাংকে কিছু জমানো টাকা ছিল । স্বামী স্বাভাবিক হতে প্রায় তিন মাস লেগে যায় । চাকরি খোঁজে চাকরি পায় না আরো তিন মাস এভাবে চলে গেল । আমি হতাশ হইনি স্কুলের শিক্ষকতার পাশাপাশি কয়েকটা স্টুডেন্টকে প্রাইভেট পড়ানো শুরু করি মোটামুটি ভাবে সংসার চলছে । তারপর চলে আসলো করোনা ভাইরাস । লকডাউন শুরু হল স্টুডেন্টদের অনলাইনে পড়ানো শুরু করলাম। করোনা ভাইরাস শেষের পর লকডাউন খুলে দিল স্বামীর একটা চাকরি হলো টঙ্গীতে । সে বলল তোমার আর স্টুডেন্ট পড়ানো লাগবে না কিন্তু আমার স্টুডেন্টরা আমাকে ছাড়তে চাইলো না। ২০২৩ সালে আবার চাকরি নিয়ে নারায়ণগঞ্জ চলে আসলো । ছেলেদের লেখাপড়া এবং আমার শিক্ষকতা ছেড়ে আসতে পারলাম না। সে যাত্রাবাড়ী থেকে এক বছর অফিস করলো। ২০২৪ সালে আমার শিক্ষকতা ছেড়ে নারায়ণগঞ্জ চলে আসি ।
উদ্যোক্তা হওয়ার প্রচেষ্টা
নারায়ণগঞ্জ এসে একটা স্কুলে চাকরি নেওয়ার ইচ্ছে ছিল হঠাৎ করে শারীরিকভাবে একটু অসুস্থতা ফিল করি । অনেক সময় ধরে বসে স্টুডেন্ট পড়াতাম সেজন্য পিঠে ব্যথা অনুভব করি । আমার স্বামী বলল আর স্টুডেন্ট পড়াতে হবে না রেস্টে থাকো । ডক্টর দেখাই মেডিসিন খাই এখন আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি । ফেসবুক স্কল করতে করতে ” নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনের” রেজিস্ট্রেশনের একটা পোস্ট আমার সামনে আসে আমি কমেন্ট করি রেজিস্ট্রেশন করতে চাই । আমাকে রেজিস্ট্রেশনে সাহায্য করেন সম্মানিত শফি উল্লাহ হাবিব ভাইয়া । ভাইয়ার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। ২০২৫ সালে আগস্ট মাসে আমি এই ফাউন্ডেশনে যুক্ত হই। আমাকে মেসেঞ্জার গ্রুপে যুক্ত করেন সম্মানিত নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি সুমন হাউদ ভাইয়া। ভাইয়ার কাছে আমি কৃতজ্ঞ । স্যারের ভিডিওগুলি আমি অনেক আগে থেকেই দেখতাম কিন্তু আমি বুঝতে পারিনি , এখানে রেজিস্ট্রেশন করে অনেক কিছু শেখা যায় , উদ্যোক্তা হওয়া যায় , জীবনে সফলতা অর্জন করা যায় , সর্বোপরি একজন ভালো মানুষ হওয়া যায় ।
সেশন চর্চা ক্লাস থেকে আমার শিক্ষা
হয়তো এ প্লাটফর্মে না আসলে বুঝতে পারতাম না
এত ভাল মনের মানুষ এখানে রয়েছে কারো কোন সমস্যা থাকলে তারা যেভাবে সহযোগিতা করে এটা আমাকে সত্যিই মুগ্ধ করেছে । আমাদের কারো সাথে রক্তের সম্পর্ক নেই তবুও যেন মনে হয় প্রত্যেকে আমরা একজন আরেকজনের রক্তের সম্পর্কের ভাই বোন । এটা আমাদের দ্বিতীয় পরিবার । সবার সুখে হাসি সবার দুঃখে কাঁদি । এখান থেকে আমি অনেক কিছু শিখতে পেরেছি , আমার নিজের জীবনের অনেক পরিবর্তন এসেছে । এই ফাউন্ডেশনের সদস্য হতে পেরে আমি গর্বিত । নিজেকে এখন বলতে পারি আমি একজন ভালো মানুষ। আমি নিজের সাথে শপথ করিতেছি যে আমি নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশন থেকে যে শিক্ষা ও দক্ষতা অর্জন করেছি তা আমার জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে কাজে লাগাবো জীবনে অন্তত একজন মানুষের ভাগ্য বদলাতে সাহায্য করবো ইনশাআল্লাহ।
***আমার উদ্যোক্তা জীবন ***
টানা ৯০ দিন ৩১ তম ব্যাচ শেষ করলাম । আমি একদিনও অনুপস্থিত ছিলাম না। আমি অপেক্ষায় থাকতাম কখন রাত নয়টা বাজবে আর কখন সেশন চর্চা ক্লাসে যুক্ত হব , সকলের সঙ্গে কথা বলব আমি কিছু শিখতে পারবো । স্যারের দেওয়া সেশন গুলি প্রতিদিন কয়েকবার খুব মনোযোগ দিয়ে পড়তাম কমেন্ট করতাম। সেশন ক্লাসে যখন আমাকে ডাকা হতো কথা বলার জন্য আমি অনেক নার্ভাস ফিল করতাম ভয় পেতাম কিভাবে বলব কি বলব কিছুই বুঝতে পারতাম না আমার অনেক জড়তা কাজ করতো । ৩২ তম ব্যাচের মাঝামাঝি এসে আমার কথা বলার জড়তা কিছুটা কাটে। এরপর আমি স্থির করলাম আমি উদ্যোগ গ্রহণ করব । নাটোরে আমাদের নিজস্ব খেজুর বাগান রয়েছে । বাগান থেকে উৎপাদিত খেজুরের গুড় নিয়ে অনলাইনে একটি পেজ খুলে বিজনেস শুরু করি । আলহামদুলিল্লাহ দুই মন প্লাস খেজুরের গুড় আমি সেল করি অনলাইনে এবং অফলাইনে। নতুন হিসেবে আমি ভালো সাড়া পাই আমাদের গুড় খাঁটি ভেজাল মুক্ত যারা একবার নিয়েছে তারা আমাদের রিপিট কাস্টমার হয়ে গিয়েছে ।
এরপর আখের গুড় , আখের দানাদার লাল চিনি ,আমন ধানের হাফ ফাইবার ও ফুল ফাইবার লাল চাল , আমন ধানের ফুল ফাইবার যুক্ত হাতে ভাজা মুড়ি, হানি নাট , রোজেলা চা , পিনাট বাটার ,সুন্দরবনের চাকের মধু লিচু ফুলের মধু, সরিষা ফুলের মধু ,চিংড়ি মাছের বালাচাও লোনা ইলিশ মাছের আচার, গরুর মাংসের আচার , বয়লার মুরগির মাংসের আচার , চ্যাপা শুটকি আচার, লইট্টা শুঁটকির আচার ,রসুনের আচার ,ধনিয়া পাতার আচার, কাঁচা মরিচের আচার , নাগা মরিচের আচার ইত্যাদি এসব হোমমেড খাবার আমি নিজেই তৈরি করে থাকি । আমার জন্য সকলে দোয়া করবেন আমি যেন স্যারের দেওয়া শিক্ষা নিয়ে একজন ভালো মানুষ হতে পারি । জীবনে সফলতা অর্জন করতে পারি , একজন ভালো উদ্যোক্তা হতে পারি । বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমাদের সবার প্রিয় মেন্টর জনাব ইকবাল বাহার জাহিদ স্যারের প্রতি । স্যারের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি ।
* নিজের বলার মত একটা গল্প ফাউন্ডেশনে প্রিয় ভাইয়া ও প্রিয় আপুদের কথা আমার সারা জীবন মনে থাকবে । বিশেষ করে আমার নারায়ণগঞ্জ জেলা টিমের সম্মানিত সকল দায়িত্বেশীলদের প্রতি অনেক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি । ওনারের শ্নেহ ভালোবাসা সহযোগিতায় এতটা দূর আসতে পেরেছি এবং আমার জীবনের গল্প লিখায় উৎসাহিত হয়েছি । নিজের অজান্তে হয়তো আমার জীবনের গল্প লিখার সময় কিছু ভুল -ত্রুটি হতে পারে কথাগুলো সুন্দর করে গুছিয়ে লিখতে পারিনি তাই আন্তরিকভাবে দুঃখিত সবাই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।সকলের দোয়া একান্ত ভাবে কামনা করছি **
আমি একজন সত্যিকারের মানুষ হিসেবে যেন আপনাদের সামনে উপ*স্থিত হতে পারি । আমার জীবনের অগোছালো কথাগুলো ধৈর্য ধরে পড়ার জন্য সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ।
গঠনমূলক কমেন্ট করবেন ইনশাআল্লাহ। অন্তরের অন্তরস্থল থেকে ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা অফুরন্ত শুভকামনা দোয়া রইল সকলের প্রতি।
আল্লাহ হাফেজ ।
আমার পরিচয়
আমি: শারমিন সুলতানা মিতা
আমার ব্যাচ নং : ৩১
রেজিস্ট্রেশন নং : ১৭১৬৯৪
জেলা : নারায়ণগঞ্জ ।

